Friday , March 28 2025

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে মুজিববর্ষে ভৃমিহীন ও গৃহহীন পরিবারগুলো মাথা গোঁজার ঠাঁই পেলো- খাদ্যমন্ত্রী

নওগাঁ: খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, মুজিববর্ষে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ভৃমিহীন ও গৃহহীন প্রায় ৭৭ হাজার পরিবার মাথা গোঁজার ঠাঁই পেয়েছে। যা পূর্বে কোন সরকার করে নাই; প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তা করে দেখালেন।

শনিবার (২৩ জানুয়ারি) মুজিবর্ষ উপলক্ষে অনলাইনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক ভৃমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমি ও গৃহ প্রদানের উদ্বোধন শেষে নওগাঁর সাপাহারে ১২০ জন উপকারভোগীদের মাঝে বাড়ির চাবি ও কাগজপত্র হস্তান্তরকালে খাদ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন ‌

মন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সারাদেশে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের মাঝে দুর্যোগ সহনীয় এসব ঘর হস্তন্তরের উদ্বোধন করলেন। তাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিকল্প এদেশে আর কেউ নেই। বাংলাদেশের একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না বলেও জানান মন্ত্রী।

তিনি  বলেন, বঙ্গবন্ধুর জন্ম হয়েছিল বলেই আজকে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। তারই সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বাংলাদেশের হাল ধরে বাংলার জনগণের জন্য অন্য, বস্ত্র, শিক্ষা, বাসস্থানের ব্যবস্থা করেছেন। এখন মানুষ আর কেউ না খেয়ে থাকে না। পরবর্তীতেও ধারাবাহিকভাবে সারাদেশে প্রধানমন্ত্রী গৃহহীন ও ভূমিহীন ৮ লাখ পরিবারকে দুর্যোগ সহনীয় ঘর প্রদান করবেন। এর আগে কোন সরকার এটা চিন্তা কর নাই।

মন্ত্রী আরো বলেন,  শেখ হাসিনা যে পরিশ্রম করে, ত্যাগ স্বীকার করে দুস্থ পরিবারের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছে; আমরা দোয়া করি যেন তিনি সুস্থ-সবল থেকে বাংলাদেশকে আরো উন্নত দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে পারেন। আর এই জন্য আমাদের প্রয়োজন নিজেকে দেশপ্রেমিক হওয়া ও দেশকে ভালোবাসা। প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনায় দেশ  মধ্যম আয়ের দেশে রূপান্তরিত হয়েছে। এখন আমরা উন্নত বাংলাদেশ গড়তে চাই।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, অনেকে বলেছিল যে পদ্মাসেতু হবে না কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনায়, বাংলাদেশের নিজস্ব টাকায় আজকে পদ্মা সেতু দৃশ্যমান হয়েছে। মেট্রোরেল চালু করা হবে। ঘরে ঘরে শতভাগ বিদ্যুৎ দেওয়া হয়েছে। বছরের প্রথম দিনে ছাত্র ছাত্রীদের হাতে বই তুলে দেওয়া হচ্ছে।

সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, করোনার মধ্যে এ পর্যন্ত একটি মানুষও না খেয়ে মারা যায় নাই। এখন কৃষকরা ধানের নায্যমূল্য পাচ্ছে। এছাড়াও করোনার মধ্যেও দেশের অর্থনৈতিক চাকা সচল রয়েছে বলেও জানান তিনি।

এ সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার কল্যাণ চৌধুরী, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান হোসেনসহ স্থানীয় জনগণ ও উপকারভোগীরা উপস্থিত ছিলেন।

পরে মন্ত্রী পোরশা উপজেলায় ৫৪ জন উপকারভোগীদের হাতেও এসব ঘরের চাবি ও কাগজপত্র হস্তান্তর করেন।

This post has already been read 3848 times!

Check Also

ভোক্তার অধিকার আদায়ে সর্বস্তরে অসাধু ব্যবসায়ী ও ভেজালকারীদের সামাজিকভাবে প্রতিহত করার বিকল্প নাই

চট্টগ্রাম সংবাদদাতা: কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) চকবাজার থানার উদ্যোগে “নিরাপদ ইফতারী ও রমজান করনীয়” …