Friday , April 4 2025

দেশে পর্যাপ্ত লবণ মজুদ রয়েছে -বিসিক

নিজস্ব প্রতিবেদক: বর্তমানে দেশে পর্যাপ্ত লবণ মজুদ রয়েছে বলে জানিয়েছে শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক)।  সংস্থাটি জানিয়েছে, সদ্য সমাপ্ত লবণ মওসুমে উৎপাদিত নতুন লবণ এবং গত মওসুম শেষে উদ্বৃত্ত  পুরাতন লবণ মিলিয়ে দেশে লবণের মজুদ  ২০ লাখ ০৩ হাজার মেট্রিক টন।

বিসিকের শিল্প উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ বিভাগ এবং কক্সবাজারে অবস্থিত বিসিক লবণ শিল্প উন্নয়ন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে দেশে ভোজ্য ও শিল্প লবণের মোট চাহিদা নির্ধারণ করা হয়েছিল ১৮ লাখ ৪৯ হাজার মেট্রিক টন। এর মধ্যে সদ্য সমাপ্ত মওসুমে মোট ১৫ লাখ ৭০ হাজার মেট্রিক টন ক্রুড লবণ উৎপাদিত হয়েছে। এছাড়া বিগত মওসুমের উদ্বৃত্ত লবণ ছিল ০৪ লাখ ৩৩ হাজার মে. টন । সব মিলিয়ে মোট জাতীয় চাহিদার বিপরীতে দেশে লবণের মোট মজুদ ২০ লাখ ০৩ হাজার মেট্রিক টন। যা দেশের মোট চাহিদা চেয়ে প্রায় ১.৫০ লক্ষ মে. টন বেশি ।

এর মধ্যে চলতি অর্থ বছরের মে মাস পর্যন্ত চাহিদা মিটিয়ে ০১ জুন, ২০২০ লবণ মাঠ ও মিল পর্যায়ে লবণের মোট মজুদের পরিমাণ ১৩ লাখ ৬৮ হাজার মে. টন। এছাড়া দেশের সকল জেলার ডিলার, পাইকারী ও খুরচা বিক্রেতা পর্যায়ে আয়োডিনযুক্ত ভোজ্য লবণ মজুদ রয়েছে।

এমনিতেই করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের ফলে শিল্প উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় দেশে শিল্প লবণের চাহিদা তুলনামূলক কম পরিলক্ষিত হচ্ছে। অন্যদিকে প্রতি বছর নভেম্বর মাসে লবণ উৎপাদনের মওসুম শুরু হয়ে থাকে। সে হিসেবে নতুন লবণ মওসুম শুরু হওয়ার আর মাত্র ৫-৬ মাস বাকি। এরপর থেকেই আবারো বাজারে নতুন লবণ আসতে শুরু করবে।

বর্তমান মজুদকৃত লবণ দিয়েই আসন্ন ঈদুল আযহায় কোরবানির পশুর চামড়া প্রক্রিয়াজাতকরণসহ আগামী ১০ (দশ) মাস লবণের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হবে।

চলতি বছরের নভেম্বরে নতুন মওসুমের লবণ  বাজারে আসবে বিধায় বর্তমান মজুদ দিয়ে  শিল্প ও ভোজ্য লবণের জাতীয় চাহিদা মিটিয়েও উদ্বৃত্ত লবণ থাকবে। ফলে এ বছর লবণ আমদানির কোনো প্রয়োজন হবে না।

This post has already been read 4204 times!

Check Also

আমদানি ও রপ্তানি প্রক্রিয়া সহজীকরণে DLS e-Trade Portal চালু

নিজস্ব প্রতিবেদক: আমদানি ও রপ্তানি প্রক্রিয়াকে আরও সহজ ও কার্যকর করতে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর (DLS)  চালু …